About BookShelf Digital Library

The domain bookshelf.com.bd represents “BookShelf Digital Library“. 

  • The famous bangali writer Promoth Chowdhury said, “The necessity of a library is not less then hospital and more then school/college “
  • But in reality, Library is not so available for all. Only few ones can benefited from public library. And because of technological aggression, the habit of book reading decreases day by day. 
  • But to make our country digital, it should be ensured that all public can easily access knowledge, gain knowledge. 
  • We stored all the book as an special format, the the visitor can not download the whole book in a single request(like PDF Books). Visitor/reader should online to read the book. 
  • The library stored the books primarily for non-profit purpose. To make habit to read online. We have plan to sell books (give access to read the books online) with the collaboration with publishers. 
  • We collect books ( Scanned PDF Copy) from internet, that means our collected books are already available in internet. 
  • We make the book available only for educational purpose. We do not reproduce the books and we discourage to do this. And BookShelf Digital Library will not responsible for any kind of commercial reproduction of our content. 
  • We believe that Online version copy or PDF copy can’t be an alternative to the original version. 
  • People who love books, can buy books. We only make available the book who can’t buy. 
  • Knowledge/Education should be available for everyone. 
  • BookShelf Digital Library voice solidarity with “Guerrilla Open Access Manifesto“. 
  • Guerrilla Open Access Manifesto

    Information is power. But like all power, there are those who want to keep it for themselves. The world’s entire scientific and cultural heritage, published over centuries in books and journals, is increasingly being digitized and locked up by a handful of private corporations. Want to read the papers featuring the most famous results of the sciences? You’ll need to send enormous amounts to publishers like Reed Elsevier.

    There are those struggling to change this. The Open Access Movement has fought valiantly to ensure that scientists do not sign their copyrights away but instead ensure their work is published on the Internet, under terms that allow anyone to access it. But even under the best scenarios, their work will only apply to things published in the future. Everything up until now will have been lost.

    That is too high a price to pay. Forcing academics to pay money to read the work of their colleagues? Scanning entire libraries but only allowing the folks at Google to read them? Providing scientific articles to those at elite universities in the First World, but not to children in the Global South? It’s outrageous and unacceptable.

    “I agree,” many say, “but what can we do? The companies hold the copyrights, they make enormous amounts of money by charging for access, and it’s perfectly legal — there’s nothing we can do to stop them.” But there is something we can, something that’s already being done: we can fight back.

    Those with access to these resources — students, librarians, scientists — you have been given a privilege. You get to feed at this banquet of knowledge while the rest of the world is locked out. But you need not — indeed, morally, you cannot — keep this privilege for yourselves. You have a duty to share it with the world. And you have: trading passwords with colleagues, filling download requests for friends.

    Meanwhile, those who have been locked out are not standing idly by. You have been sneaking through holes and climbing over fences, liberating the information locked up by the publishers and sharing them with your friends.

    But all of this action goes on in the dark, hidden underground. It’s called stealing or piracy, as if sharing a wealth of knowledge were the moral equivalent of plundering a ship and murdering its crew. But sharing isn’t immoral — it’s a moral imperative. Only those blinded by greed would refuse to let a friend make a copy.

    Large corporations, of course, are blinded by greed. The laws under which they operate require it — their shareholders would revolt at anything less. And the politicians they have bought off back them, passing laws giving them the exclusive power to decide who can make copies.

    There is no justice in following unjust laws. It’s time to come into the light and, in the grand tradition of civil disobedience, declare our opposition to this private theft of public culture.

    We need to take information, wherever it is stored, make our copies and share them with the world. We need to take stuff that’s out of copyright and add it to the archive. We need to buy secret databases and put them on the Web. We need to download scientific journals and upload them to file sharing networks. We need to fight for Guerilla Open Access.

    With enough of us, around the world, we’ll not just send a strong message opposing the privatization of knowledge — we’ll make it a thing of the past. Will you join us?

    Aaron Swartz

    July 2008, Eremo, Italy

bookshelf.com.bd ডোমেইনটি ” বুকশেলফ ডিজিটাল লাইব্রেরী” এর ডোমেইন । 

  • প্রমথ চৌধুরী বলেছিলেন , ” লাইব্রেরী এর গুরুত্ব হাসপাতাল এর চেয়ে কম নয়, বরং কখনো কখনো স্কুল – কলেজ এর চেয়ে বেশী । 
  • কিন্ত, বাস্তবতায় , লাইব্রেরী খুব একটা সহজলভ্য নয়। খুব অল্প সংখ্যক মানুষই পাবলিক লাইব্রেরী তে যেতে পারে । তাছারাও টেকনোলজী এর অতিমাত্রায় ব্যবহারের কারনে বই পড়ার অভ্যাসটাও দিন দিন কমে এসেছে। 
  • কিন্ত ডিজিটাল বাংলাদেশ নির্মান করতে হলে জ্ঞান অর্জন ছাড়া অন্য কোন উপায়। আর বই হচ্ছে জ্ঞান এর দরজা। যেখানেই ইন্টারনেট পৌছাবে , সেখানেই যেনো বই পৌছায়। সেখান থেকেই যাতে যে কেউ বই পড়তে পারে। সে জন্যেই আমাদের এই প্রয়াস। 
  • আমাদের লাইব্রেরী তে রাখা বই গুলো বিশেষ ফরম্যাট এ রাখা। পাঠক রা চাইলেও এক রিকুয়েস্টে পিডিএফ বই এর মতো পুরো বই ডাউনলোড করতে পারবে না। তবে খুব কম ইন্টারনেট খরচ করেই বই পড়তে পারবে । 
  • আমাদের বই গুলো ইন্টারনেট থেকে সংগ্রহ করা। মানে এখানে প্রকাশিত বই , ইতিমধ্যেই ইন্টারনেটে প্রকাশিত। 
  • আমাদের সংগ্রহে রাখা বই কেবলমাত্র পড়ালেখা, গবেষণার কাজে ব্যবহারের জন্যে। কোনরুপ বাণিজ্যিক পুনঃরুতপাদন এর দায় বুকশেলফ এর উপর বর্তাবে না । 
  • বুকশেলফ ডিজিটাল লাইব্রেরী গেরিলা ওপেন মেনুফেস্টো এর সাথে সংহতি প্রকাশ করছে। 

গেরিলা ওপেন একসেস ম্যানিফেস্টো (Guerrilla Open Access Manifesto)

তথ্য হল এক ধরনের ক্ষমতা। এবং, অন্যান্য সব ক্ষমতার মত একেও কিছু মানুষ কুক্ষিগত করে রাখতে চায়। যুগ যুগ ধরেই বইপত্র আর জার্নালগুলোতে বিশ্বের তাবৎ বৈজ্ঞানিক ও সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য লিপিবদ্ধ হয়ে আসছে। সেগুলোর ক্রমবর্ধিত ডিজিটাল সংস্করণও তৈরি হচ্ছে ঠিকই, তবে, সেগুলোকে দুষ্প্রাপ্য করে রেখেছে মুষ্টিমেয় কিছু প্রাইভেট কর্পোরেশন। আপনি পৃথিবীর বিখ্যাত সব বৈজ্ঞানিক কাজের নথিগুলো দেখতে চান? তাহলে আপনাকে Reed Elsevire এর মত প্রকাশনাগুলোর পেছনে বিপুল পরিমাণ অর্থ ব্যয় করতে হবে।

কিন্তু এমনও মানুষ আছেন যারা এই পরিস্থিতি পরিবর্তনে সংগ্রাম করে যাচ্ছেন। গেরিলা ওপেন অ্যাকসেস মুভমেন্ট (Guerrilla Open Access Movement) নামক অকুতোভয় আন্দোলনের প্রস্তাব হল, বিজ্ঞানীরা তাদের কাজের কপিরাইট বুঝে নিয়েই যেন খালাস না হয়ে যান, বরং, তাঁদের কাজ যেন ইন্টারনেটে সকলের জন্য উন্মুক্ত থাকে এই শর্তের দিকেও মনোযোগী হন। কিন্তু, এই দৃশ্যপট যদি রাতারাতি পাল্টেও যায়, যদি আজই এই আন্দোলন সফল হয়ে যায়, তাহলেও এর ফল কেবলমাত্র ভবিষ্যতের জন্যই প্রযোজ্য হবে। এখন পর্যন্ত যে বিপুল পরিমাণ তথ্য প্রাইভেট কর্পোরেশনগুলোর কব্জায় রয়েছে সেগুলো মুক্ত করার দৃশ্যত আর কোনো বৈধ উপায় নেই।

বড় বেশী মূল্য দিতে হচ্ছে আমাদের। সহকর্মীদের কাজ পড়তেও একাডেমিকদেরকে মূল্য পরিশোধ করতে বাধ্য করা কি কোনো কাজের কথা? লাইব্রেরির বিশাল সংগ্রহ স্ক্যান করে সংরক্ষণ করে কেবল গুগলে জড়িতদের জন্যে তা উন্মুক্ত রাখাই বা কেমন কথা? প্রথম বিশ্বের অভিজাত বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতেই কেবল বিজ্ঞানের সব গুরুত্বপূর্ণ নথির যোগান থাকবে, অথচ তথাকথিত তৃতীয় বিশ্বের বিপুল সংখ্যক মানুষকে এই জ্ঞান থেকে বঞ্চিত করা হবে এটাই বা কেমন কথা?

নিঃসন্দেহে এগুলো অত্যন্ত গর্হিত কাজ, এবং কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়। কিন্তু, আইনকানুন সবই তাদের পক্ষে। এইসব কর্পোরেশনগুলোই কপিরাইটের ধারক-বাহক। আর, জ্ঞানের ব্যবসাই তাদের অর্থের বিরাট উৎস। তাই, অনেকেই এর সমস্যার দিকটা বুঝতে পেরেও থমকে যান। ভাবেন, “আমরা আর কিই বা করতে পারি?”

কিন্তু, আমাদের করার আছে অনেককিছু। ইতিমধ্যে তা করছিও। আমরা রুখে দাঁড়াচ্ছি। যেসকল শিক্ষার্থী, গ্রন্থাগারিক, গবেষক এই বিপুল জ্ঞানের রস আস্বাদনের সুযোগ পেয়েছেন, আপনারা সৌভাগ্যবান। জ্ঞানের যে মহাযজ্ঞ থেকে পুরো পৃথিবী বঞ্চিত, আপনারা সেখানেই আমন্ত্রিত। কিন্তু, এই সুযোগ কেবল নিজের জন্য তুলে রাখলে চলবেনা। তথ্যের ভাণ্ডারে অবাধ বিচরণের এই সুযোগ আপনাদেরকে কাজে লাগাতে হবে। এটা আপনারা করতে পারেন পাসওয়ার্ড আদানপ্রদান করে অথবা, বন্ধুদের জন্য ডাউনলোড করে।

এদিকে, বঞ্চিতরাও কিন্তু বসে নেই। প্রকাশকদের দখলে থাকা তথ্য তারা বিভিন্ন কৌশলে উন্মুক্ত করে দিচ্ছেন এবং ছড়িয়ে দিতে কাজ করে যাচ্ছেন। স্বাভাবিকভাবেই, এসব কাজ চালাতে হয় গোপনে। একে আবার আইনের চোখে ‘পাইরেসি’ বা ‘চুরি’ হিসেবে দেখা হয়। জ্ঞানের বিরাট ভাণ্ডার মুক্ত করার ‘অপরাধ’ যেন মানুষ হত্যার সমান। কিন্তু, খুব সাধারণভাবে চিন্তা করলেই আমরা বুঝতে পারব, এটা অনৈতিক কিছু তো নয়ই, বরং যুগ যুগ ধরে অর্জিত জ্ঞানের সংগ্রহ সকলের সাথে ভাগাভাগি করে নেওয়াটাই একান্ত প্রয়োজনীয়। লোভ আমাদের বোধশক্তি গ্রাস করে না ফেললে এই সত্য সকলেরই বুঝতে পারার কথা।

আর, বড় বড় কর্পোরেশনগুলোর চালিকাশক্তিই হল লোভ। যেসব আইন তাদের স্বার্থসিদ্ধি করে, তাতে এক চুল পরিবর্তন হলেই এইসব কর্পোরেশনের অংশীদারেরা বেজার হবেন। আর, রাষ্ট্রের সব রাজনীতিকেরা তো আছেনই তাদের রক্ষাকর্তা হিসাবে। তাই, তাদের প্রণীত আইনকানুনই এসব কর্পোরেশনগুলোকে তাদের স্বার্থ একতরফাভাবে রক্ষা করার সীমাহীন ক্ষমতা দিয়ে থাকে।

অন্যায্য আইন মানার কোনো অর্থই হয় না। তাই, আইন ভাঙার সময় এসেছে। সময় এসেছে স্পষ্ট করে বলবার যে, মানুষের অর্জিত কোনো জ্ঞানকেই কোনো দানব কর্পোরেশন তাদের পুঁজি হিসেবে ব্যবহার করতে পারবেনা। জ্ঞান হবে উন্মুক্ত। তাই, পৃথিবীর সমস্ত তথ্যে আমাদের সকলের অবাধ বিচরণ থাকবে, বন্ধুদের সাথে ভাগাভাগি করে নেওয়ার অধিকার থাকবে – সেগুলো যেখানেই সংরক্ষিত থাকুক না কেন। কপিরাইট উত্তীর্ণ তথ্যের আর্কাইভ করতে হবে। সকল গোপন ডেটাবেজ, সকল বৈজ্ঞানিক জার্নাল উন্মুক্ত করতে হবে। গেরিলা ওপেন এক্সেসের জন্য আমাদেরকে লড়তে হবে।

পৃথিবীব্যাপী ছড়িয়ে থাকা অসংখ্য সহযোদ্ধাদের নিয়ে আমরা শুধুমাত্র জ্ঞানের বাণিজ্যিকীকরণের বিরুদ্ধে শক্ত একটা বার্তাই পৌঁছে দেব না, আমরা একে অতীতের ভাগাড়ে পাঠিয়ে দেব। আমাদের সঙ্গী হবেন?


এরোন সোয়ার্টজ
জুলাই ২০০৮, আরমেয়ো, ইতালি