হিমশীতল – অনীশ দেব ( Himshitol by Anish Deb)

(1 customer review)
  • জ্ঞান হোক উন্মুক্ত

    আমরা বিশ্বাস করি, জ্ঞানপ্রাপ্তির অধিকার রয়েছে সবার ।
  • এটি লাইব্রেরীর ডিজিটাল ভার্সন ব্যতীত অন্য কিছু নয়

    লাইব্রেরীতে গিয়ে সবাই যেমন বই পড়ে, তেমন ভাবে এখানেও পড়বে।
  • উন্নততর প্রযুক্তি

    আমাদের লাইব্রেরীতে থাকা বই ডাউনলোড যোগ্য নয়, উন্নত প্রযুক্তি ব্যবহারের মাধ্যমে বইগুলো কেবলমাত্র পড়ার জন্যে উন্মুক্ত করে দেয়া হয়েছে।
  • এই লাইব্রেরীতে দেয়া বই, বাণিজ্যিক উদ্দেশ্যে ব্যবহারযোগ্য নয়

    যেহেতু লাইব্রেরীতে দেয়া বই কেবলমাত্র পড়ার জন্য, কোন বাণিজ্যিক উদ্দেশ্যে ব্যবহারের দায় বুকশেলফ এর উপর বর্তাবে না।
  • বই ডাউনলোড যোগ্য নয়

    এই লাইব্রেরীতে দেয়া বই ডাউনলোড করার উপযোগী নয়।
5.0/5
1 reviews
1
0
0
0
0
  1. ‎Shaker Mahmud Rafa‎ to থ্রিলার পাঠকদের আসর

    নাম: হিমশীতল
    লেখক: অনীশ দেব
    প্রকাশনী: পত্র ভারতী
    পৃষ্ঠাসংখ্যা: ৯৬
    ধরন: রহস্যোপন্যাস
    ………………………………
    কাহিনি সংক্ষেপ: অ্যান্টার্কটিকার চারপাশের সমুদ্রতট থেকে যে অঞ্চলটি সবচেয়ে দূরে, তারই নাম “পোল অফ ইনঅ্যাক্সেসিবিলিটি”। বৃত্তের কেন্দ্র যেমন পরিধি থেকে সবচেয়ে দূরের বিন্দু, অনেকটা সেরকম। এই অঞ্চলের গভীরে বরফ আর পাথরের স্তরের মাঝে রাশিয়া আর ভারতের যৌথ অভিযানে খুঁজে পাওয়া “লেক – এক্স” সত্যিই এক রহস্যময় হ্রদ, যার অবস্থান সমুদ্রতলেরও কয়েকশ মিটার নিচে। এই হ্রদের পানি কেউ কখনো চোখে দেখে নি, কেউ জানেও না কোনো রহস্যময় প্রাণিজগৎ টিকে রয়েছে কি না সে হ্রদে। হয়তো এই হ্রদের জল থেকেই পাওয়া যাবে প্রাগৈতিহাসিক যুগের নতুন কোনো ইতিহাস।
    .
    অবশেষে ড. সূর্যদ্যুতি সেনের নেতৃত্বে সাত সদস্যের একটি অভিযাত্রী দল অ্যান্টার্কটিকা পৌঁছে শুরু করল অভিযান। ড্রিল-হাউসের আধুনিক কোর ড্রিল পদ্ধতির মধ্যে দিয়ে অ্যান্টার্কটিকার বুকে খনন কাজ চালিয়ে নিচ থেকে তুলে আনা হবে লেক-এক্সের জলের নমুনা। উঠে আসবে না তো কোনো প্রাগৈতিহাসিক হিংস্র প্রাণী? কিন্তু একবার সফল হতে পারলে পাওয়া যাবে বিশ্বজোড়া খ্যাতি আর সম্মান। সাফল্য যখন দ্বারপ্রান্তে, তখনই হঠাৎ একে একে রহস্যজনকভাবে নিখোঁজ হতে শুরু করলেন অভিযাত্রীরা। পাওয়া যাচ্ছে খুন হওয়ার আলামত, কিন্তু মৃতদেহ কোথায়? কয়েকশ মাইলের ভেতর নেই অন্য কোনো অভিযাত্রী দলের ক্যাম্প। টিম লিডার ড. সূর্যদ্যুতি সেন বুঝতে পারলেন খ্যাতি আর সম্মান সবার সাথে ভাগ না করে একাই করায়ত্ত করতে চাচ্ছে অভিযাত্রী দলের কেউ। লিডার সূর্যদ্যুতি সেন, জিওলজিস্ট চন্দ্রেশ্বর, আর্মি পারসন রোহিত চিরিমার, ইন্সট্রুমেন্ট ইঞ্জিনিয়ার পবন শর্মা, কেমিস্ট সুরেন্দ্র নায়েক, মাইক্রোবায়োলজিস্ট অদিতি আর মেরিন বায়োলজিস্ট সুজাতার ভেতর কে সেই খুনি? খুনি কি একাধিক? নাকি লেক এক্স থেকে সত্যিই কোনো প্রাগৈতিহাসিক জীব উঠে এসে চালাচ্ছে তাণ্ডবলীলা? অবশেষে অভিযাত্রী দলের সদস্য সংখ্যা যখন তিনে এসে ঠেকল, তখন উন্মোচিত হলো রহস্য….
    …………………………………
    মন্তব্য: বইটি পড়তে বসে কখনো bored হই নি। কাহিনি বেশ উপভোগ্য ছিল। অ্যান্টার্কটিকা আর পেঙ্গুইন সম্পর্কে বেশকিছু নতুন তথ্যও জানতে পেরেছি।
    ………………………………
    ব্যক্তিগত রেটিং: ০৭/১০

Add Your Review