হিমু সমগ্র – ১ এবং ২ খন্ড

(2 customer reviews)
  • জ্ঞান হোক উন্মুক্ত

    আমরা বিশ্বাস করি, জ্ঞানপ্রাপ্তির অধিকার রয়েছে সবার ।
  • এটি লাইব্রেরীর ডিজিটাল ভার্সন ব্যতীত অন্য কিছু নয়

    লাইব্রেরীতে গিয়ে সবাই যেমন বই পড়ে, তেমন ভাবে এখানেও পড়বে।
  • উন্নততর প্রযুক্তি

    আমাদের লাইব্রেরীতে থাকা বই ডাউনলোড যোগ্য নয়, উন্নত প্রযুক্তি ব্যবহারের মাধ্যমে বইগুলো কেবলমাত্র পড়ার জন্যে উন্মুক্ত করে দেয়া হয়েছে।
  • এই লাইব্রেরীতে দেয়া বই, বাণিজ্যিক উদ্দেশ্যে ব্যবহারযোগ্য নয়

    যেহেতু লাইব্রেরীতে দেয়া বই কেবলমাত্র পড়ার জন্য, কোন বাণিজ্যিক উদ্দেশ্যে ব্যবহারের দায় বুকশেলফ এর উপর বর্তাবে না।
  • বই ডাউনলোড যোগ্য নয়

    এই লাইব্রেরীতে দেয়া বই ডাউনলোড করার উপযোগী নয়।

Description

Writer : Humayun Ahmed
লেখক ঃ হুমায়ুন আহমেদ
পড়ুন হিমু সমগ্র - ১
হিমু সমগ্র – ১ এবং ২ খন্ড

5.0/5
2 reviews
2
0
0
0
0
  1. Moushumi Mou

    ♦♦♦♦♦হিমু♦♦♦♦

    হুমায়ূন আহমেদের অনেক বই হাতে পেয়েও
    ইগনোর করতাম কিন্তু হিমু সিরিজটাকে কখনই ইগনোর করতে পারিনি। হাতে পাবার চব্বিশ ঘন্টা পার হবার আগেই হিমুর বই গুলো পুরোনো হয়ে যেত।

    আসুন গুনি…….
    মোট কয়টা হিমু আমরা হুমায়ূন স্যারের কাছ থেকে উপহার পেয়েছি !!

    ০১।ময়ূরাক্ষী

    ০২.দরজার ওপাশে

    ০৩.হিমু

    ০৪.পারাপার

    ০৫.এবং হিমু

    ০৬.হিমুর হাতে কয়েকটি নীল পদ্ম

    ০৭.হিমুর দ্বিতীয় প্রহর

    ০৮.হিমুর রূপালী রাত্রি (১৯৯৮)

    ০৯.একজন হিমু কয়েকটি ঝিঁঝিঁ পোকা

    ১০.তোমাদের এই নগরে

    ১১.চলে যায় বসন্তের দিন

    ১২.সে আসে ধীরে

    ১৩.হিমু মামা

    ১৪.আঙুল কাটা জগলু

    ১৫.হলুদ হিমু কালো র্্যাব (২০০৬)

    ১৬.আজ হিমুর বিয়ে

    ১৭.হিমু রিমান্ডে (২০০৮)

    ১৮.হিমুর একান্ত সাক্ষাৎকার ও অন্যান্য (২০০৮)

    ১৯.হিমুর মধ্যদুপুর (২০০৯)

    ২০.হিমুর বাবার কথামালা (২০০৯)

    ২১.হিমুর নীল জোছনা

    ২২.হিমুর আছে জল

    ২৩.হিমু এবং একটি রাশিয়ান পরী

    ২৪.হিমু এবং হার্ভার্ড পিএইচ.ডি. বল্টু ভাই

    ২৫.ময়ূরাক্ষীর তীরে

    আমার জানামতে মোট পচিঁশটি!! সব গুলোই অসাধারন। এবং প্রায় প্রতিটিই ব্যাবসাসফল
    😛 ……… বইমেলার হিমু একমাসেই সাতটা আটটা এডিশন বের হতো !! বাংলা সাহিত্যে অন্য কোন সিরিজের এই জনপ্রিয়তা মনে হয় নেই।
    হুমায়ূন আহমেদেরই মিসির আলি,শুভ্র, মৃন্ময়ী এরকম কিছু চরিত্র রয়েছে তবে কোনটিই হিমু কে টপকাতে পারেনি।

    এখনও হিমুর বই গুলো পড়ি প্রতিটাই দশবারের মত পড়েছি। ভবিষ্যতে আরও পড়বো………
    কিন্তু যখনই হিমু সংক্রান্ত কোন কিছু দেখি তখনই আফসোস হয়!! 🙁 যদি হুমায়ূন স্যার আর দশটা বছর বেশি বাচতেন 🙁
    তাহলে হয়তো আরও দশটা হিমু বেশি পেতাম!! 🙁
    Injamul Pranto – Boi Lovers Polapain

  2. Moushumi Mou

    হুমায়ুন সাহেবকে অনেকেই পছন্দ করেন না, তার লেখার মধ্যে কোন গভীরতা নেই এবং বাজারী লেখক এমন নানাকথা প্রচলিত আছে ওনার ব্যাপারে।
    সত্যি বলতে, হুমায়ুন সাহেবের বিরুদ্ধে রাগ-ক্ষোভের পেছনে ওনার লেখনীর চাইতেও ওনার দ্বিতীয় বিয়েই অধিক দায়ী।
    সমাজ নিম্নস্তরের মানুষদের দোষত্রুটি ক্ষমা করে দিতে পারে কিন্ত উচ্চস্তরের মানুষদের ভুলত্রুটিতে ক্ষমা নেই।
    তাই মারা যাওয়ার পরেও হুমায়ুন সাহেব মাফ পাননি অনেকের কাছে।
    তবে হুমায়ন আহমেদ এক অনবদ্য চরিত্র সৃষ্টি করে গেছেন।
    “হিমু”
    তার সৃষ্ট মিসির আলী, শুভ্র, মৃন্ময়ী এবং অন্যান্য চরিত্র থেকে শতগুণে আকর্ষণীয় এবং রহস্যময় চরিত্র হচ্ছে হিমু।
    আমার ধারণা আধুনিক বাংলা সাহিত্যে সবচাইতে রহস্যময় চরিত্র হচ্ছে মানিক বাবুর পদ্মা নদীর মাঝির “হোসেন মিয়া” এবং হুমায়ুন আহমেদের “হিমু”।
    ঘোরতম হুমায়ুনবিরোধী কোন মডার্ন তরুন বা আনকোরা নতুন কোন বিল্পবী লেখকও বুকে হাত দিয়ে বলতে পারবেন না যে, কোন এক ভরা পুর্ণিমায় বা কাঠফাটা রোদ্রের কোন দুপুরে ভীড়ের রাস্তায় চলতে চলতে হিমু হয়ে যেতে ইচ্ছে করেনি তার।
    হুমায়ন সাহেব অনেক কঠিন বাস্তবতা অথবা অস্বাভাবিক ব্যাপার, অতি সাধারণ এবং স্বাভাবিক হিসেবে লিখে ফুটিয়ে তুলেছেন।
    যেন এটাই স্বাভাবিক।
    ধরুন, হিমুকে রমনা থানায় ধরে নিয়ে আসা হয়েছে।
    তাকে কফি খেতে দেওয়া হয়েছে।
    ওসি সাহেব আবার কফির স্বাদ কেমন হয়েছে,দুধ-চিনি লাগবে কিনা তা জানতে চাচ্ছেন হিমুর কাছে।
    বাস্তবে কিন্ত রমনা থানায় আসামী হিসেবে গেলে আপনার কপালে চা-কফি জুটবে না বরঞ্চ চড়থাপ্পড় আর পুলিশী রোলের গুঁতো ছাড়া কিছুই জোটার সম্ভাবনা নেই।
    আবার, কোন এক খুনির ভাষ্য দিয়ে তিনি মানুষ জবাইয়ের বর্ণনা দিলেন।
    পড়ে মনে হবে এমন খুনখারাবী আর মশামাছি মারার মধ্যে তেমন পার্থক্য নেই।
    এখানেই হুমায়ন আহমেদের স্বার্থকতা।
    সব জিনিসকেই অস্বাভাবিক স্বাভাবিকতার মাপকাঠিতে নিয়ে আসার ইর্ষনীয় ক্ষমতা ছিল ওনার।
    তাই, রমনা থানার ওসি মধ্যরাতে কফিতে চিনি হয়েছে কিনা জানতে চাওয়াটাই স্বাভাবিক হয়ে দাঁড়ায়।
    লেখককে বাজারী লেখক উল্লেখ করে কষে দুখানা গালি দিয়েও পাঠক তাই আগ্রহ নিয়ে পরবর্তী পাতাগুলো উল্টে যায় নাকমুখ কুঁচকে।
    তো যা বলছিলাম, হিমু………..
    হিমুর সাথে পাইরেটস অফ ক্যারিবিয়ানের জ্যাক স্প্যারোর বিশেষ মিল আছে।
    তার অনেক কর্মকাণ্ড আপাতদৃষ্টিতে অহেতুক মনে হলেও পরবর্তীতে তা ফলপ্রসূ হয়ে দেখা দেয়।
    এই শহরের অন্যান্য তরুণের মতো আমারও একটা সময় হিমুর মতো মহাপুরুষ হওয়ার ইচ্ছে ছিল।
    কিন্ত বই আর বাস্তবতার মধ্যে মারিয়ানা ট্রেঞ্চের মতো গভীর ফারাক, তেইশতম ব্যঞ্জনবর্ণ দিয়ে শুরু হওয়া ছাড়া এদের মধ্যে আর কোন মিলই নেই।
    হিমুদের মায়া-মোহ থাকতে পারে না, যার দুটোই আমার মধ্যে প্রবলভাবে বিদ্যমান।
    জাগতিক আকাঙ্ক্ষা, লোভ এগুলোকে বুড়ো আংগুল দেখাতে পারিনি।
    হিমুর অনার্স-মাস্টার্স পাশ দিয়ে ফ্যামিলি স্ট্যাটাস কিউ মেইনটেইনের জন্য বড় চাকুরে হওয়ার চিন্তা করার দায় নেই, আমার তা পুরোদমেই আছে।
    এই ঈদেও একটা হলুদ পাঞ্জাবী নেওয়ার ইচ্ছে ছিল, কিন্ত প্যান্টের উপর আন্ডারগার্মেন্টস পরলে যেমন সুপারম্যান হওয়া যায় না, তেমনি হলুদ পাঞ্জাবি পরলেও হিমু হওয়া যায় না, তাই আর হলুদ পাঞ্জাবি নেওয়া হয় না।
    আমাকে দেখে দামী গাড়ি থামিয়ে কোন তরুণী ছুটে আসে না।
    রুপার মতো নীল শাড়ি পরে বারান্দায় অপেক্ষাও করে না কেউ আমার জন্য।
    হিমুরা কারো প্রেমে পড়ে না, হিমুরা কারো হাত ধরে না।
    সমস্যা হচ্ছে আমি একটা হাত ধরে বসে আছি মনের গভীরে। নরম তুলতুলে সেই হাতের মায়া ছাড়ানোর আমার সাধ্য নেই।
    এই শহরে সুকান্তের ঝলসানো রুটির মতো পুর্ণিমার চাঁদ যখন উঁকি দিবে অথবা বৈশাখের দুপুরে আইস্ক্রিমওয়ালার গাড়ির দিকে লোভাতুর চোখে যখন কোন টোকাই বালক চেয়ে থাকবে তখন তা দেখে আমার হিমু হয়ে যেতে ইচ্ছে করবে।
    কিন্ত মায়া কাটানোর আমার সাধ্য নেই, তাই আমারো আর হিমু হয়ে ওঠা হয় না।
    আমি সাধারণ, অতিসাধারণ।
    আমি অনেকের ভীড়ে একজন।
    From dust i have come, dust i will be.
    – মাহামুদুল হাসান অনি ( Boi Lovers Polapain )

Add Your Review