মা – আনিসুল হক ( Maa – Anisul Haque )

(4 customer reviews)
  • জ্ঞান হোক উন্মুক্ত

    আমরা বিশ্বাস করি, জ্ঞানপ্রাপ্তির অধিকার রয়েছে সবার ।
  • এটি লাইব্রেরীর ডিজিটাল ভার্সন ব্যতীত অন্য কিছু নয়

    লাইব্রেরীতে গিয়ে সবাই যেমন বই পড়ে, তেমন ভাবে এখানেও পড়বে।
  • উন্নততর প্রযুক্তি

    আমাদের লাইব্রেরীতে থাকা বই ডাউনলোড যোগ্য নয়, উন্নত প্রযুক্তি ব্যবহারের মাধ্যমে বইগুলো কেবলমাত্র পড়ার জন্যে উন্মুক্ত করে দেয়া হয়েছে।
  • এই লাইব্রেরীতে দেয়া বই, বাণিজ্যিক উদ্দেশ্যে ব্যবহারযোগ্য নয়

    যেহেতু লাইব্রেরীতে দেয়া বই কেবলমাত্র পড়ার জন্য, কোন বাণিজ্যিক উদ্দেশ্যে ব্যবহারের দায় বুকশেলফ এর উপর বর্তাবে না।
  • বই ডাউনলোড যোগ্য নয়

    এই লাইব্রেরীতে দেয়া বই ডাউনলোড করার উপযোগী নয়।
5.0/5
4 reviews
4
0
0
0
0
  1. সালেহ খান বাবলু‎ to বই লাভারজ পোলাপান (Boi Lovers Polapan)

    আনিসুল হক স্যারের ’মা’ পড়লাম।
    ’মা’ পড়াশেষে একটা ঘোরে আছি। উপন্যাসের গল্পটা একজন মায়ের। অসমসাহসী একজন মা। উপন্যাসের কাহিনিটা মুক্তিযুদ্ধের। একাত্তরের দুর্ধর্ষ মুক্তিযুদ্ধ। ’মা’-এর উপাখ্যানগুলো একদল কিশোরের, কিশোর মুক্তিযোদ্ধার। সর্বোপরি ’মা’ হচ্ছে একজন আজাদের এবং একটা আজাদীর উপাখ্যানমালা। একজন মায়ের এবং বাংলার শত শত মায়ের নিঃশঙ্ক জীবনবৃত্তান্ত।
    .
    বইটি লেখক শুরু করেছেন ১৯৮৫ সালের কাহিনি দিয়ে। মুক্তিযোদ্ধা আজাদের মা তখন মারা যায়। লেখক শহীদ আজাদের মাকে গোরস্তানে রেখেই পাঠককে নিয়ে যান একাত্তরের পূর্বাপরে। স্মৃতিচারণ করেন আজাদের মায়ের সংগ্রামী জীবন।
    তারপর পাকিস্তানিদের শাসন ও শোষণ, বৈষম্য আর ভেদাভেদ, অবিচার এবং নির্যাতনের দৃশ্য তুলে ধরেন। একাত্তরের সেই যুদ্ধবিধ্বস্ত রূপরেখা পড়তে গিয়ে, মুক্তিযোদ্ধাদের সেই জীবনবিসর্জিত কাহিনি, এদেশের মায়েদের নির্ভীকতার গল্প পড়ে বারবার সংগ্রামী চেতনায় উদ্বুদ্ধ হয়েছি।
    .
    আনিসুল হক স্যারের অন্যান্য বইগুলোর চেয়ে এটাতে বেশি মুগ্ধতা কাজ করেছে। লেখার ভঙ্গি, শব্দপ্রয়োগ, বর্ণনাশৈলী, বাক্যের বুনন, সাবলীল উপস্থাপনা মোহনীয়। বইটি পড়তে গিয়ে কতবার যে চোখ অশ্রুসজল হয়েছে!
    মুক্তিযুদ্ধ নিয়ে অনেক গল্প-উপন্যাস পড়েছি। কিন্তু এমন বাস্তবধর্মী উপন্যাস, এমন অকুতোভয় উপাখ্যান কম পড়েছি।
    সবমিলে আমার পড়া মুক্তিযুদ্ধের সেরা একটি উপান্যাস ’মা’। মাকে নিয়ে সবচে কালজয়ী উপন্যাস ’মা’। যদি কখনো এদেশের স্বাধীনতা-স্বার্বভৌমত্ব ভূলুণ্ঠিত হয়ে যায়, তবুও এসব মায়েরা, এমনসব মায়ের সন্তানেরা যুগ যুগ, শতাব্দী শতাব্দী বেঁচে থাকবে।

  2. ‎বিনু রাজিয়া‎ to বইপোকাদের আড্ডাখানা (Boipokader Addakhana)

    “মা”
    আনিসুল হক

    বিজয়ের মাসে আবার হাতে তুলে নিলাম আনিসুল হক এর লেখা মা বই টি। বই টির কাহিনী সম্পর্কে কম বেশি সবাই জানেন তাই নতুন করে জানা কথা গুলো লিখলাম না৷
    আমার মতে আনিসুল হক যদি এই উপন্যাসটি না লিখতেন তাহলে আমরা আজাদের মাকে জানতাম না। হাজার মানুষের মায়ের প্রতীক হয়ে ওঠা এমন একজন মা আমাদের প্রয়োজন ছিল। এই কাহিনি আজাদ তাঁর বুকের রক্ত দিয়ে লিখেছেন। আজাদের মা তাঁর অশ্রু দিয়ে লিখেছেন। যা তাঁর নিজস্ব সংগ্রাম। যারা পড়েন নি তারা সময় সুযোগ করে অবশ্যই পড়বেন।

  3. ‎Ibn Zayed‎ to বইপোকাদের আড্ডাখানা (Boipokader Addakhana)

    বইয়ের নামঃ মা
    লেখকঃ আনিসুল হক
    সময় প্রকাশন
    প্রথম প্রকাশঃ ফেব্রুয়ারি, ২০০৩
    মূল্যঃ ৩৪০ টাকা

    ‘মা’ শব্দটার একটা আলাদা মহত্ব রয়েছে। পৃথিবীর মধ্যে এক অক্ষরের সবচেয়ে সুন্দর শব্দটি হল ‘মা’। লেখক আনিসুল হকের ‘মা’ মুক্তিযুদ্ধের বাস্তব ঘটনা ও চরিত্রের সমন্বয়ে অভিনব, সুখপাঠ্য, হৃদয়ছোয়া ভাষা শৈলীর এক অসাধারণ উপন্যাস।

    আমরা আনিসুল হকের সাথে কলাম লিখনি দিয়েই প্রথম পরিচিত হয়েছি। তাঁর লেখা কলামগুলো বেশ সুখপাঠ্য হয়। তবে তার কিছু উপন্যাস এবং গল্প পাঠকের মনে বেশ জায়গা করে নিয়েছে। তার মধ্যে অন্যতম হলো ‘মা’। ‘মা’ উপন্যাসটিতে লেখক তাঁর সৃষ্টির সর্বোচ্চ চূড়াকে স্পর্শ করেছেন। লেখকের সব লেখাও যদি হারিয়ে যায় কোনদিন, শুধুমাত্র এই একটি লেখার জন্যেই তিনি পাঠক হৃদয়ে অমর হয়ে থাকবেন।

    বইয়ের বাস্তব এই ঘটনাটির প্রেক্ষাপট ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধ। শহিদ আজাদের মাকে নিয়ে লেখা হয় এই উপন্যাস টি।

    ফ্ল্যাপে লেখা কথাঃ
    আজাদ ছিল তাঁর মায়ের একমাত্র সন্তান। আজাদের বাবা দ্বিতীয় বিয়ে করায় বালক আজাদকে নিয়ে তার মা স্বামীর গৃহ-অর্থ-বিত্ত ত্যাগ করে আলাদা হয়ে যান। মা বড় কষ্ট করে ছেলেকে লেকাপড়া করান। আজাদ এমএ পাস করে। এই সময় দেশে শুরু হয় মুক্তিযুদ্ধ। আজাদের বন্ধুরা যোগ দেয় ঢাকার আরবান গেরিলা দলে। আজাদ মাকে বলে, আমিও যুদ্ধে যাব। মা তাকে অনুমতি দেন। ছেলে যুদ্ধে যায়। ১৯৭১ সালের ৩০ আগস্ট একরাতে ঢাকার অনেক ক’টা মুক্তিযোদ্ধা-নিবাসে হামলা চালায় পাকিস্তানী সৈন্যরা, আরো অনেকের সঙ্গে ধরা পড়ে রুমী, বদি, আলতাফ মাহমুদ, জুয়েল এবং আজাদ। আজাদের ওপরে পাকিস্তানীরা প্রচন্ড অত্যাচার চালিয়ে কথা বের করতে পারে না। তখন তার মাকে বলা হয়, ছেলে যদি সবার নাম-ধাম ইত্যাদি বলে দেয়, তাকে ছেড়ে দেওয়া হবে। আজাদ বলে, মা দুদিন ভাত খাই না, ভাত নিয়ে এসো। মা পরের দিন ভাত নিয়ে হাজির হন চন্দিশিবিরে, কিন্তু ছেলের দেখা আর মেলে না। আর কোনোদিনও ছেলে তাঁর ফিরে আসে নাই আর এই মা আর কোনোদিনও জীবনে ভাত খান নাই। যুদ্ধের ১৪ বছর পরে মা মারা যান, নিঃস্ব, রিক্ত-বেশে। মুক্তিযোদ্ধারা তাঁকে কবরে শায়িত করলে আকাশ থেকে ঝিরঝির করে ঝরতে থাকে বৃষ্টি।

    মুক্তিযোদ্ধাদের কাছে এই কাহিনীর সন্ধান পেয়ে আনিসুল হক বহুজনের সাক্ষাৎকার নিয়ে, বহু দলিল দস্তবেজ ঘেঁটে রচনা করেছেন অসামন্য এক উপন্যাস, জানাচ্ছেন এক অসমসাহসিকা মায়ের অবিশ্বাস্য কাহিনী। যতদিন বাংলাদেশ থাকবে, যতদিন স্বাধীনতা থাকবে, এই অমর মাকে ততদিন শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করতে হবে আমাদের।

    ভূমিকাঃ
    এই কাহিনীর সন্ধান সর্বপ্রথম আমাকে দেন মুক্তিযোদ্ধা নাট্যজন নাসির উদ্দীন ইউসুফ বাচ্চু। তারপর অনেক দিন এই কাহিনী আমাকে তাড়িয়ে ফেরে। অতঃপর আমি একটা উপন্যাস লেখার আমায় মুক্তিযোদ্ধাদের সাক্ষাৎকার গ্রহণ করতে শুরু করি। শহীদ আজাদের আত্মীয়স্বজনে খোঁজ পাওয়ার জন্যে আমি পত্রিকায় বিজ্ঞাপনও দিয়েছিলাম। বিজ্ঞাপনের সূত্র ধরেই শহীদ আজাদ সম্পর্কে যারা জানেন, এমন অনেকের সঙ্গে আমার পরিচয় ঘটে। তাঁরা আমাকে দিনের পর দিন তথ্য দিয়ে, উপাত্ত দিয়ে সাহায্য করেছেন। যাঁদের সাক্ষাৎকার আমি নিয়েছি, তাঁদের নামের তালিকা এ বইয়ের শেষে সংযুক্ত করে দিলাম। তাঁদের সকলের কাছে আমি চিরকৃতজ্ঞ। আর বেশ কিছু বইয়েরও সাহায্য দরকার হয়েছে। সেই তালিকাটিও এই বইয়ের শেষে থাকল।

    এই উপন্যাস রচনা করতে গিয়ে আমি নানা জনের কাছ থেকে উৎসাহ, অনুপ্রেরণা পেয়েছি। ফেরদৌস আহমেদ জায়েদের কথা এখানে অনুপ্রেরনা পেয়েছি। ফেরদৌস আহমেদ জায়েদের কথা এখানে বিশেষভাবে উল্লেখ করতে হয়। সাপ্তাহিক ২০০০-এর সম্পাদক শাহাদত চৌধুরী আমাকে দিনের পর দিন সময় দিয়েছে, সাক্ষাৎকার দিয়েছেন, উৎসাহ দিয়েছেন এবং এই বইয়ের পান্ডুলিপি সংশোধন করে দিয়েছেন। তাঁদের কাছে আমার ঋণ জীবনেও শোধ হওয়ার নয়।

    এই উপন্যাস রচনাকালে এবং ঈদসংখ্যা প্রথম আলো ২০০২-এ এর সংক্ষিপ্ত রূপ প্রকাশের পর অনেকের কাছ থেকেই আমি অনেক উৎসাহ পেয়েছি। বিশেষ করে পাঠকেরা তাঁরা ঈদসংখ্যা প্রথম আলো পড়ে এবং সাপ্তাহিক ২০০০-এ ১৬ ডিসেম্বর ২০০২-এ প্রকাশিত আমার লেকা প্রচ্ছদকাহিনী শহীদ আজাদের মায়ের সন্ধানে পড়ে ফোনে, চিঠিতে ও সরাসরি কথা বলে আমাকে বিশেষভাবে অনুপ্রাণিত করেছেন। আলাদা করে আমি আর তাঁদের নাম বলতে চাই না, তাঁরা নিশ্চয়ই এই লেকা থেকেই আমার কৃতজ্ঞতাটুকু গ্রহণ করে নেবেন।

    এখন একটা দরকারি কখা এই উপন্যাস সত্য ঘটনা অবলম্বনে রচিত। তবে এটা ইতিহাস নয়, উপন্যাস। ইংরেজিতে যাকে বলে ফিকশন। ঐতিহাসিক ঘটনাগুলোর বেলায় সভ্যতা রক্ষার চেষ্টা করেছি পুরোপুরি। যেমন শহীদ আজাদের চিঠিগুলো আসল। ব্যক্তিগত ও পারিবারিক ঘটনাগুলোর বেলায় অনেক জায়গায় কল্পনার আশ্রয় নিতে হয়েছে, এটা বোধহয় বলাই বাহুল্য। সব ফিকশনেই এটা নেয়া হয়। উদাহরণস্বরূপ বলা যায়, মিলি-সংক্রান্ত বিবরণগুলো পুরোটাই বানানো। কিন্তু একটি মেয়ের বিয়ে হয়ে যাওয়ার কতা আজাদ নিজেই লিখেছিলেন তাঁর মাকে লেখা চিঠিতে।

    এই উপন্যাস কাউকে আঘাত দেওয়ার বাসনা থেকে রচিত নয়, বরং বাঙালির এক বীরোচিত আখ্যানকে তুলে ধরার আমায় লিখিত ও প্রকাশিত। যদি কোনো অংশ কাউকে সামান্যতম অস্বিস্তিতে ফেলে, তবে আমি তাঁকে বলব, ওই অংশটুকু সম্পূর্ণ কাল্পনিক ধরে নেবেন।
    প্রিয় পাঠক, আপনার মঙ্গল হোক, মঙ্গল হোক এই দেশটার।

    আনিসুল হক
    এলিফ্যান্ট রোড, ঢাকা
    ২৪ জানুয়ারি, ২০০৩

    এই বই নিয়ে আমার কিছু কথাঃ
    আনিসুল হকের ‘মা’ কেবল একটা উপন্যাসই না। এক সংগ্রামী নারীর জীবনের মহাকাব্যিক অধ্যায়ের গভীর স্মৃতিচারণা। তিনি ছিলেন এমনই একজন মা, যিনি তার জীবনে আর কোনো পরিচয়ে পরিচিত হতে চাননি। তিনি শুধু একটি পরিচয়কেই ভিতরে এবং বাইরে লালন করে গেছেন, তা হল তিনি একজন মা, শহীদ আজাদের মা।

    শহীদ আজাদের মা সাফিয়া বেগম ছিলেন ঢাকার সবচেয়ে প্রভাবশালী ব্যক্তিদের মধ্যে একজনের স্ত্রী। কিন্তু তিনি অহংকারী ছিলেন না। ছিলেন আত্মমর্যাদাবান। তাই তার স্বামী যখন দ্বিতীয় বিবাহ করলেন, তখন তিনি তা মেনে নেননি। ছোট্ট আজাদকে নিয়ে শত বিলাসিতা আর প্রাচুর্যের ঘেরাটোপ পেরিয়ে নেমে এসেছিলেন নিজের গড়া যুদ্ধক্ষেত্রে। সেই যুদ্ধের তিনি ছিলেন সফল যোদ্ধা। অভাব অনটনকে পেছনে ফেলে নিজ হাতে তিনি মানুষের মত মানুষ করে তুলেছিলেন আজাদকে।

    কিন্তু তারপরই এল আরেক যুদ্ধ। বাঙালীর জীবনের সবচেয়ে বড় যুদ্ধ, স্বাধীনতার যুদ্ধ। আজাদ সেই যুদ্ধে যেতে পিছপা হয়নি। তার মাও তাকে বাধা দেননি। কিন্তু তারপর কি হল, যখন আজাদকে ধরে নিয়ে গেল মিলিটারিরা? আজাদের মা কি তখন স্রেফ একা আজাদের মা হয়ে বাংলার অন্য মায়েদের সাথে বিশ্বাসঘাতকতা করলেন? না, আজাদের মা শুধু আজাদেরই মা নন। তিনি সমগ্র বাংলা মায়ের প্রতিমূর্তি। তাই তো তার মুখ থেকে সন্তানের প্রতি বেরিয়েছিল এক অমোঘ বাণী, ”বাবা রে, যখন মারবে, তুমি শক্ত হয়ে থেকো। সহ্য কোরো। কারো নাম যেন বলে দিও না।” এভাবেই আজাদের মা দেশের তরে নিজের ছেলেকে কুরবানি দিয়েছিলেন।

    কিন্তু নিজের মাতৃসত্তা কি তা মেনে নিয়েছিল? তাহলে কেন জীবনের বাকি কটা দিন তিনি ছেলের ফেরার অপেক্ষায় দিন গুজরান করবেন? কেন মাটিতে শোবেন, ভাতের বদলে রুটি খাবেন? তার একটাই কারণ, তিনি মা। তিনি সেই মা যার দ্বৈত সত্তা। দেশমাতৃকা হয়ে দেশের উদ্দেশ্যে একমাত্র সন্তানকে উৎসর্গ করতে তিনি দুবার ভাবেননি। আবার আজাদের মা হয়ে আজাদের হারিয়ে যাওয়াকেও তিনি মেনে নিতে পারেননি। তাই সারাজীবন তিনি শক্ত পাথুরে ভাবমূর্তির আড়ালে সন্তানের জন্য কোমল মাতৃহৃদয় নিয়ে একার লড়াই লড়ে গেছেন।

    ‘মা’ উপন্যাস এই মায়েরই জীবন সংগ্রামের অমর গাথা। ‘মা’ উপন্যাসের ভাল-মন্দ বিচারের ধৃষ্টতা আমি কখনো দেখাব না। শুধু একটা কথাই বলব, ‘মা’ পড়তে পড়তে কখনো পাঠকের দুচোখ গড়িয়ে যেমন জলের ধারা বয়ে চলবে, তেমনি আবার কখনো এক শহীদ জননীর মত জীবনে হার না মানার চেতনায় পাঠককে উজ্জীবিত করবে। সরদার ফজলুল করিমের কথা না মেনে উপায় নেই। বস্তুতই পাঠকের চোখে ম্যাক্সিম গোর্কির ‘মা’ আর আনিসুল হকের ‘মা’ এক হয়ে উঠতে বাধ্য।

  4. Moushumi Mou

    মা বাংলাদেশের কথাসাহিত্যিক ও সাংবাদিক আনিসুল হক রচিত একটি উপন্যাস।
    বইটি ২০০৩ সালের ফেব্রুয়ারিতে প্রকাশিত হয়। উপন্যাসটি প্রচুর পাঠকপ্রিয়তা লাভ করেছে।
    এটি একটি বাস্তব ঘটনাভিত্তিক উপন্যাস। লেখক এই কাহিনীর সন্ধান পান মুক্তিযোদ্ধা ও নাট্যব্যক্তিত্ব নাসিরউদ্দিন ইউসুফ বাচ্চুর নিকট থেকে।
    বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের একজন বীর মুক্তিযোদ্ধা শহীদ আজাদ ও তাঁর মায়ের জীবনের সত্য ঘটনা নিয়ে রচিত এই উপন্যাসটির আবেদন মর্মস্পর্শী। বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের উপন্যাসগুলোর মধ্যে এটির স্থান অন্যতম।

Add Your Review